দানব

বাসার বারান্দা থেকে খেলার মাঠটা খুব ভাল করে দেখা যাচ্ছে। সেদিন খেলার মাঠটার দিকে অনেকক্ষণ ধরে তাকিয়ে ছিলাম। মাঠে কাঁদার মাঝে ফুটবল খেলতে খুব ইচ্ছে করছিল। আকাশটাও মেঘলা ছিল। মনে মনে প্রার্থনা করছিলাম যেন ঝুম বৃষ্টি হয়। কিছুক্ষনের মাঝেই সৃষ্টিকর্তা আমার মনের আশা পূরণ করলেন। আমি আমার শর্টস পড়ে মাঠের দিকে দৌড় দিলাম। জানতাম যে কেউ না কেউ ফুটবল নিয়ে আসবেই। দৌড়ে আসতেই দেখতে পেলাম আমার মতই আসছে পাপ্পু, সোহেল, আসাদ, রুবেল ভাই আরো অনেকে। নেমে পড়লাম মাঠে, কি যে মজা বৃষ্টির মাঝে ফুটবল খেলা! বলে বোঝাতে পারবনা।

বৃষ্টির হাল যেমন ছিল যেন ১ ঘন্টায় ছাড়বে না। খেলতে খেলতে কাঁদায় পুরো জামাকাপড় মাখিয়ে ফেলেছি। কিছুক্ষন পরে একটু হেলেদুলে লুঙ্গি পড়ে, খালি গায়ে ভুড়িটা নাচাতে নাচাতে এলেন আমাদের পাগলা বাবু ভাই। আগেই বলে নেই। বাবু ভাই আমাদের চেয়ে বয়সে কিছুটা বড়। উনার কথাবার্তা একটু এলোমেলো, তাই অনেকে উনাকে পাগলা বাবু বলে। মাঠের পাশেই হাসপাতালে তার মা চাকুরী করেন, হেড নার্স। এলাকায় সবার পরিচিত তার মা, নাম মিসেস হায়দার। বাবা ছোটবেলায় মারা গিয়েছেন। অধিকাংশ দিনের মতন সেদিনও বাবু একই কাজ করলেন, তাকে বলা হলো এক টিমে খেলতে উনি খেললেন আরেক টিমে। এইটা তার স্বভাব। উনি মাঠে পরে আসলে, উনার কাছে যে টিম ভাল মনে হবে সে টিমের হয়ে উনি খেলবেন। উনাকে কিছু বলা যাবে না, কারণ ব্যাখ্যা করতে উনি ৫ মিনিট সময় নষ্ট করবেন। প্রথমেই ৩ মিনিট তোতলামি করবেন পরে যুক্তিতে না পেরে বলবেন, “আমার ইচ্ছে হয়েছে খেলছি তোর কি”। এমন হাস্যকর ব্যাপার এড়াতে কেউ উনাকে এখন কিছু বলেন না। সবাই উনাকে খেপানোর জন্য বলেন এই আজকে কিন্তু পাগলা বাবু দুধ-ভাত। এভাবেই সেদিনের মত খেলা শেষ করলাম। ফলাফল হেরে গিয়েছি। ৩-১ গোলে এগিয়ে ছিলাম, বাবু ভাই ছিল আমাদের টিমে। শেষ কয়েক মিনিট উনাকে গোল কিপার দাঁড় করিয়ে ২ মিনিটে দুটো গোল খেয়েছি, পরের গোলটা ছিল রুবেল ভাইয়ের অসম্ভব ভাল ফিনিশিং। পানি ও কাঁদা পেরিয়ে বল নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার কাজটা উনি বেশ ভাল পারেন। যাইহোক হেরে গেলাম ৩-৪ গোলে। বৃষ্টি কিছুটা থেমে গিয়েছে। সবাই অনেক ক্লান্ত, খেলা থামিয়ে দেওয়া হলো।

মাঠ থেকে সোজা স্কুলের পুকুরে গেলাম। এমন কাঁদা লাগিয়ে বাসায় ঢুকতে দিবে না মা। কোনমতে গোসল সেরে নিয়ে বাসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম। সবাইকে বললাম বিকেলে দেখা হবে, তাজুর মা এর দোকানে। তাজুর মা হল এলাকার বেশ পুরানো মহিলা। মানুষের বাসায় চুরি করতে সে অনেক পারদর্শী। মহিলা ভয়াবহ পটু গাছে উঠার ক্ষেত্রে। কিছুদিন আগে ধরা পরেছে খাদেম নানার গাছের তাল গাছ থেকে তাল চুরি করতে গিয়ে। এর পরে চুরি করাটা কিছুটা কমিয়ে দিয়েছে। বেশকিছু লোকজনের হাতে মারও খেয়েছে। তাছাড়া বয়সও হয়েছে তাই এলাকায় রাস্তার মোড়ে একটি চায়ের দোকান দিয়েছে। তাজুর মা বেশ ঝগড়াটে টাইপের, আমরা তাকে তাজুর মা বলে ডাকলেই তার সম্মানে অনেক আঘাত লাগে, সাথে সাথে আমাদের জিজ্ঞাসা করে, “ওই তাজু তোদের বড় না ছোট?” তাজু তার বড় ছেলে। আমাদের চেয়ে বয়সে প্রায় ১৫ বছরের বড় হবে। সবার মুখ থেকে এই নাম শুনে আসছি ছোট থেকে, আগে বুঝতামই না যে তাজু তার ছেলে বলে তার নাম তাজুর মা। মনে করতাম এই বুঝি বুড়ির আসল নাম।

যাইহোক বিকেল হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। বিকেল হওয়ার আগে পর্যন্ত মায়ের কাছে ঘুমিয়ে থাকতে হবে, মানে আমার জন্য চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাকতে হবে। বিকেল হওয়ার আগে যদি বাসা থেকে পালিয়ে বাইরে যাই তাহলে তো সন্ধায় মাইর নিশ্চিত। কোনভাবে চোখ বন্ধ করে রাখতাম। মাঝে মাঝে একচোখ খুলে দেখতাম মা ঘুমিয়ে গেছে কিনা। ঘুমিয়ে গেলেই আস্তে করে উঠে দৌড়। এভাবে অনেকবার ধরা খেয়েছি। কারণ, ঠিক একই কাজ মা করতেন। উনিও আমাকে টেস্ট করার জন্য চোখ বন্ধ করে রাখতেন। উঠে দৌড় দেওয়ার চেষ্টা করলেই হাত ধরে টেনে নিয়ে আবার শুইয়ে দিতেন। আর চালাকির সেলামি ওইদিনের বিকেলে বাইরে যাওয়া বন্ধ।

বিকেলে গিয়েছি তাজুর মায়ের দোকানের সামনে। দেখছি আমাদের পাগলা বাবু ভাই নতুন নতুন সিগারেট খাওয়া শিখেছেন। সিগারেটে টান দিচ্ছেন আর আমাদের সামনে তোতলামি করতে করতে বলছেন, “ লাল ঠোঁটটা কাল না করলে কি মেয়েরা পছন্দ করবে?” এভাবেই শৈশবের দিনগুলো কাটত আমার।

কিছুদিন আগে যখন এলাকায় গিয়েছিলাম তখন আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর কাছে থেকে সবার খোজখবর নিচ্ছিলাম। কথায় কথায় বাবু ভাইয়ের প্রসঙ্গ আসল। পরের ঘটনাগুলো তার কাছে থেকে আমার শোনাঃ

আমাদের সঙ্গী সাথী কিছু বড় ভাই এবং বন্ধুরা নিয়মিত সিগারেট খাওয়া শুরু করে দেয়। আমি ততদিনে ক্যাডেট কলেজে চলে গিয়েছিলাম। অনেকে সিগারেট খাওয়ার পয়সা ম্যানেজ করতে না পেরে বাবার ম্যানিব্যাগে হাত দেওয়া শুরু করে। স্কুল পালিয়ে আঁখের খেতের মাঝে টাকা দিয়ে কার্ড খেলাটা যেন তাদের কাছে অনেক প্রিয় হয়ে গিয়েছিল। সাথে সিগারেট তো অবধারিত। কিছুদিন পরে নাকি আমাদের সেই গ্রুপটা আর বৃষ্টিতে ফুটবল খেলে মজা পেত না। চুপ চুপ করে স্কুলের একটা বন্ধ রুমে জানালা দিয়ে ঢুকে কার্ড খেলা তাদের কাছে অনেক ভাল লাগত। এরপর এইসবও নাকি ওদের ভাল লাগত না। অনেকে গাঁজা আনা শুরু করল। জুয়া খেলা আর সাথে গাঁজা, আহ! এইবার নাকি তাদের একটু শান্তি হতো। অনেকের এমন অবস্থা হয়েছিল যে বিড়ির মাঝে গাঁজা ভরিয়ে সিগারেটের প্যাকেটে নিয়ে ঘুরত। এভাবে নেশা যেন দিন দিন গ্রাস করতে লেগেছিল আমাদের সেই গ্রুপটাকে।

অনেকের বাবা মা টের পেয়েছিলেন। ছেলেমেয়েদের বিভিন্নজনকে বিভিন্ন জায়গায় পাঠিয়ে দেন পড়ালেখা করার জন্য। কিন্তু আমাদের সেই বাবু ভাই রয়ে যান গ্রামে।

এলাকার এক কাপড় ব্যবসায়ী খবর পান যে কাপড় ব্যবসার চেয়ে ফেন্সিডিলের ব্যবসা অনেক জমজমাট। উনার বয়সও ছিল বেশি না। উনার সাথে আমাদের ইয়ং জেনারেশনের অনেক ভাল খাতির ছিল। এই সুযোগটা উনি নিয়েছিলেন। নামকাওয়াস্তে কাপড়ের ব্যবসা করতেন। আর ইন্ডিয়া থেকে যে ফেনসিডিল আসত তার ব্যবসা শুরু করে দেন। এলাকার বেশিরভাগ ছেলের হাতে ফেন্সিডিল ধরাতে উনার বেশি সময় লাগেনাই। এর সবার মাঝে সবচেয়ে বেশিভাবে জড়িয়ে পড়েছিল আমাদের বাবু ভাই। একটু পাগল টাইপের তাই এই ফেন্সিডিল ব্যবসায় উনার ডেডিকেশন ছিল অনেক বেশি।

মিসেস হায়দারের কানে এইসব কথা চলে যায়। উনার একটি মাত্র ছেলে, তার আমার বাবা নেই। উনি যেন বিশ্বাস করতে পারছিলেন না ছেলের এইসব কথা। অবস্থা বেগতিক দেখে তাড়াতাড়ি গুরুজনদের পরামর্শ নিয়ে ছেলের বিয়ে দিয়ে দেন। আমার বন্ধুর কথামতে বাবু ভাইয়ের বউ নাকি ছিল অপুর্ব সুন্দরী। বাবু ভাইকে এই মাদক থেকে দূরে রাখার একটি উপায় বেছে নিয়েছিলেন মিসেস হায়দার। কিছুদিন বাবুর ভালই কেটেছিল। কিন্তু মাদক জিনিসটা কেমন জানি! নিজের বউকেও নাকি ছেড়ে থাকা যায় কিন্তু মাদককে ছাড়া যায় না। বাবু ভাই এইবার চুপ চুপ করে ফেনসিডিল খেতেন এবং কিছুদিন পর পর। নতুন বউ কিছুই বুঝে উঠতে পারেনাই। ইতিমধ্যে আমাদের এলাকায় এই ফেনসিডিল ব্যবসাকে পাল্লা দিয়ে সিরিঞ্জ চলে এসেছিল। বাবু ভাইয়ের দিকে এখন সবাই ভাল চোখেই তাকাতো। কেউ ভাবতনা যে পাগলা বাবু এখনো আগের বদ অভ্যাস ছাড়তে পারেনাই। একদিন হঠাৎ করেই আমাদের ভাবি খেয়াল করতে লাগলেন, আলমারি থেকে টাকা কেমন জানি কমে যাচ্ছে। কিছুতেই কিছু বের করতে পারলেন না। কাজের মেয়েকে জিজ্ঞাসা করেছেন অনেকবার। অবশেষে বাবু ভাইয়ের পরামর্শে কাজের মেয়েকে বাড়ি থেকে বিতাড়িত করলেন।

মিসেস হায়দার হঠাৎ করেই একদিন অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে ভর্তিও হন। ছেলে এবং ছেলের বউ দেখতে যায় হাসপাতালে। ছেলের হাতের দিকে ভাল করে খেয়াল করেন। দেখতে পান সিরিঞ্জের মাধ্যমে মাদক গ্রহনের চিহ্ন। আগে থেকেই লোক মুখে শুনেছিলেন। শোনার পরেই উনার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল। এবার নিশ্চিত হয়ে গেলেন। কাউকে কিছু বললেন না। শুধু বলেছিলেন উনার ভাইকে যে, “আমার ছেলেকে একটু দেখে রাখিস, বাবার কথা মত ছেলেকে মানুষ করতে পারিনাই”। এর দুদিনের মাথায় মিসেস হায়দার মারা যান।

বাবু ভাইয়ের জীবন থেকে এখন তার মাও চলে গেছে। বড় নিষ্ঠুর মনে হয় পৃথিবীটা উনার কাছে। অনেক বন্ধুদের কাছে গিয়ে বাবু অনেক কেঁদেছিল। কোন কিছুতেই কোন সমাধান পায়নি। কিছু মাদকসেবী বন্ধু তার এই সময়ের সুযোগ নেয়। বাবুর কাছে আরও বেশি করে মাদকের যোগান দিতে থাকে। বাবু এখন আর কোন কিছুকে পাত্তা দেয় না। বাসার মাঝে সিরিঞ্জ দিয়ে নেশা করা শুরু করে। নববিবাহিতা বউ এখন বুঝতে পারে কেন তাকে এভাবে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাবু ভাইকে অনেক ভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি, পারেননি। অবশেষে টাকা লুকিয়ে রাখতেন তিনি। টাকা খুজে না পেয়ে বাবু প্রায় পাগলের মত বাসায় ছুটে বেড়াতো। মাঝে মাঝে চিৎকার দিত। পাশের বাসার মানুষ গভীর রাতে চিৎকার শুনতো নিয়মিত। বাবু এরপর হিংস্র বাঘের মত হয়ে যায়, বউ পেটাতে শুরু করে। একসময় তার বউ বাসা ছেড়ে চলে যায়।

দুই সপ্তাহ পরে বাবু ভাই তার চাচাদের কাছে প্রতিজ্ঞা করে যে আর কখনও এই কাজ করবে না। ভাবিকে বাসায় ফিরিয়ে আনা হয়। কিছুদিন পরে বাবুর রক্তে মেশা দানব আবার জাগ্রত হয়ে উঠে। এবার আরো হিংস্র হয়ে উঠে। সেদিন রাতে বাসায় কেউ ছিল না, বাবু আর ভাবি। বাবু টাকা চাইলে ভাবি টাকা দিতে অসম্মতি জানায়। বাবু ভাবিকে অনেক জোর করে, একসময় মারপিটও করে। তবে ভাবি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বাবুকে আর কখনও ওই পথে যেতে দিবে না। এক পর্যায়ে বাবু ভাবির গহনা চেয়ে বসে। ভাবি না দিলে বাবু ভাবির গলা চেপে ধরে, আর তোতলামি করতে করতে বলতে থাকে, “এবার না দিলে তোকে গলা টিপে মেরেই ফেলব”। বাবুর মাথায় মাদকের নেশা ছাড়া আর কিছু কাজ করে না। বুঝতেই পারে না তার লাল টুকটুকে বউকে সে কখন মেরে ফেলেছে। পাঁচ থেকে দশ মিনিট পরে বাবুর কিছুটা জ্ঞান আসে। দ্যাখে তার বউ আর কথা বলছেনা, মনে করে হয়ত ভান করছে। টিউবওয়েল থেকে পানি এনে মুখে ছিটিকে দেয়, মনে করে অজ্ঞান হয়ে গিয়েছে, পাগলের মত চিৎকার করে। বউয়ের নাম ধরে ডাকতে থাকে, বলে “আমার ভুল হয়ে গেছে তুমি একবার কথা বল”। আমাদের বাবু ভাইয়ের সুন্দরী বউ আর কোনদিন কথা বলেনা। বাবু ভাই পারেনায় তার বউকে কথা বলাইতে।

সকালে উঠে বাবুভাই থানায় গিয়ে রিপোর্ট করে, বলে যে, “আমাকে গ্রেফতার করুন আমি গতকাল রাতে আমার বউকে খুন করেছি”। পুলিশ পাগল মনে করে পাত্তা দেই না। অনেক অনুরোধের পরে পুলিশ বাবু ভাইয়ের বাসায় আসে। বাসায় এসে দেখে ঘরের মাঝে বাবু ভাইয়ের বউ শুয়ে আছে। পাগলের মত কাঁদতে থাকে বাবু ভাই, রাতে কি কি হয়েছিল সব বলতে থাকে। পুলিশ বাবু ভাইকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। বিচার হয় বাবু ভাইয়ের। উনি নিজে মুখে তার দোষ স্বীকার করেন এবং সেদিন রাতের পুরো ঘটনা বর্ণনা করেন আদালতে। বাবু ভাইয়ের যাবজ্জীবন কারাদন্ড হয়।

যে নেশা শুরু হয়েছিল একটি সিগারেটের মাধ্যমে সে নেশা একটি পরিবারকে সমুলেই ধ্বংস করে ফেলেছে। আজও আমি যখন বাবু ভাইয়ের বাড়ির পাশ দিয়ে যাই তখন মনে পড়ে সেই ফুটবল খেলার কথা। মিসেস হায়দার আন্টির কথা। মাঝে মাঝেই আন্টি উনার বাসার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময়ে ডেকে পিঠা খাওয়াতেন। বেশি পিঠে যখন খেতে পারতাম না বাবু ভাই তোতলিয়ে বলতেন, “এটায় না খেতে পারলে গোল দিবি কেমন করে!!” সব সৃতিই যেন এখন আহাজারিতে পরিনত হয়েছে। কেমন জানি অবাক লাগে! আমাদের সেই মাদকমুক্ত সমাজটি কত সুন্দর ছিল! কত সুন্দর ছিল সেই আড্ডা মারার সময়গুলো! সবই যেন আজ বিলীন। কিছু কিছু মানুষের মুনাফা লাভের লোভের পাপে আজ আমাদের মাঝে অনেকেই বিলীন। কেন আমাদের এই সুন্দর সমাজে নেশা বা মাদকের মত এই দানবকে প্রশ্রয় দেবো, যার শুরু কিনা সিগারেটের মাধ্যমে!!!!!!!!!!!!!!!

বি দ্রঃ গল্পটি একটি সত্য কাহিনী অবলম্বনে লেখা।

যদি কারো মনে একটুও কোন দাগ কেটে থাকে তাহলে অনুগ্রহপুর্বক নেশা থেকে বিরত থাকবেন, তা সিগারেটই হোক না কেন!!!!

Advertisements

Share your thinking

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s