একটি বাজে-এস্ট দিন (রাত Included)

প্রত্যেকদিন শুরুতেই মেজাজ খারাপ হয় ফেসবুকে ঢুকে। টাইম পাস না, দরকারি আপডেট পেতেই ফেসবুকে ঢুকতে হয়।

আর ফেসবুকে ঢুকলেই মেজাজ চরম । ঢুকেই দেখবো হোমপেজে একজনের জন্মদিন, তার ওয়ালে ২৩জন ফ্রেন্ড লিখেছে। সবার নাম লিস্ট করে দেয়া আছে। আরে ভাই, আমি তো গতরাত ১ টার সময় উইশ করলাম। আমাকে এটা দেখানোর মানে কী????

এর নিচেই ১০-১২ টা ছবি.. অমুক-তমুক তার প্রোফাইল পিকচার চেন্জ করেছে। :@

এর নিচে দেখলাম, কিছু ফালতু প্রশ্ন। একজনের পর একজন উত্তর দিয়ে যাচ্ছে। আরও মজা!! :@

এর কিছু নিচে কিছু বড় বড় ছবি। বন্ধুদের টপ টেন ফ্রেন্ডস টাইপের কিছু ছবি, মানুষ এগুলো করে কি মজা পায় বুঝি না। তার উপরে আছে ফ্যান পেজগুলোর যন্ত্রণা। এতক্ষনেও কোন ফ্রেন্ড এর স্ট্যাটাস আপডেট দেখিনি আমি।

এরপর শুরু হল মেসেজ আসা। অফলাইন হয়ে বসে আছি, তারপরেও ধরে ফেলেছে?? এফফ‍!!! টিকার জিনিসটা আছে না ?? এটার জ্বালায় কোন কিছু করলেই বোঝা যায় যে এই শালা তো অফলাইন বসে বসে আরাম করছে। আরাম সব গেল।

এরপরে ভাবলাম কিছু গেম খেলা যাক। অনেকদিন পোকার খেলি না। ঢুকলাম। ডানদিকে এটা কি রে বাবা। আমার কোন ফ্রেন্ড কোন সময় কী এপ্লিকেশন ব্যবহার করেছে এটা জেনে আমি কী করবো জুকারবার্গ ভাই?? ফেসবুক কি গোয়েন্দাগিরির জায়গা?? ক্রোমের ডানদিকটা এই বিশ্রি জিনিসটা জুড়ে রেখে দিল,  আমি সহ্য করে পোকার খেলতে লাগলাম। বড় মজা, একটাও ভাল কার্ড পড়ছে না। লস খেতে খেতে একটা স্ট্রেইট পড়ে গেল। রেইজ করে ভাল একটা লাভ করে বেরিয়ে পড়লাম। আর ফেসবুক না। এখন গুগল প্লাসে ঢুকি।

ডিজাইনটা সুন্দর। মন ভাল করা। হোমপেজে আমার কিছু বন্ধুর ১০ দিন আগের স্ট্যাটাস আপডেট, আর রিসেন্ট নিউজ হল আমার দল রেড ডেভিলসদের লেটেস্ট আপডেট। খালি ড্র করেই যাচ্ছে। গরুর দল।

গেমসে গেলাম। এখানে ফেসবুকে যা যা আছে সবই আছে, শুধু আরো সুন্দর করে দেয়া, ফেসবুকের চাইতে কম জঞ্জাল, দেখতে ক্লিন। এখন খেলবো Angry Birds!! একটু খেলতেই ল্যাপটপ দিয়ে যেন আগুন বেরোচ্ছে। আরে বাবা, এই গেম খেলতেও আমি আমার ডেস্কটপ ব্যবহার করবো?? মেজাজ তখন পুরা একশডিগ্রি। :@

ধুর যা! খেলবই না গেম। ল্যাপটপ অফফ করে দিলাম। একটু গিটার বাজাই। আবার সমস্যা! আমার আঙুলের নখ বড় হয়ে গেছে। একটু সমস্যা দিচ্ছে। কাটতে হবে। নেলকাটার হাতে নিয়ে দেখি এটা খোলা পার্টগুলো আলগা হয়ে পড়ে আছে! এটা আবার লাগাতে হবে। ধুর কাটবোই না নখ।

এমন সময় ছোটভাই এর আগমন। “ভাইয়া, তোমার ফোন তো চলতেছে না”। কী??? ফোন চলছে না মানে? মানে হল উনি গান শুনছিলেন, হঠাৎ স্ক্রীন সাদা হয়ে আটকে গেছে। আমার হাতে ফোন দিয়ে ও কার্টুন দেখতে বসে গেল। আমি মেমরি কার্ড খুলে চার্জ এ লাগিয়ে দিলাম। পরে যা হয় হবে। :@

সারাদিন গিটার নিয়ে পুরো দিন নষ্ট করলাম। এরপর রাত্রে ঢুকলাম আবার ফেসবুকে। আমার গিটারিস্ট বন্ধু নিজে ইম্প্রোভাইজ করে কিছু রিফ আর লিড পাঠিয়েছে। শোনা উচিৎ। শুনলাম। শুধু ঘ্যারঘ্যার সাউন্ড ই শোনা গেল। কি বাজিয়েছে আগা মাথা বুঝলাম না। তারে মেসেজ দিলাম তোর টোন টেরিবল, ঠিক কর। নাহলে মানুষ মাইর দিবে। (এই টোন নিয়ে কনসার্টে গেলে বাস্তবেই সে আর এক টুকরো অবস্থায় আসতে পারবে না)

এরপর-পরই আম্মুর প্রবেশ। ঘুমের কঠোর আদেশ করে প্রস্থান। অত:পর ঘুমের রাজ্যে খারাপ দিনের সমাপ্তি, আগামি ভাল দিনের আশায়।

Advertisements

Coding… (Cartoon)

So here is the first photo post and also the first Comic in this blog…

This is the condition of our coders.

Picture0142

Comic series owned by Rezwan..
©  copyright reserved by Rezwan..

Post by Rezwan.

পরীক্ষার হলে কে কি করে……

৭ টা জিনিস যা মেয়েরা পরীক্ষার হল এ করে :

  • লিখে।
  • কানের পিছের চুলগুলোকে সরিয়ে দেয়।
  • আবার লিখে।
  • কলমের খালি রিফিল চেঞ্জ করে।
  • আবার লিখে।
  • এক্সট্রা কাগজ চায়।
  • আবার লিখতে থাকে।

ছেলের করা পরীক্ষার হল এ সাতটা কাজ :

  • মেয়ের সংখ্যা গুনে।
  • পরীক্ষার হল এ কয়টা দরজা আর জানালা আছে গুনে।
  • চেয়ার এদিক ওদিক সরায়।
  • কলম কোন রঙের সেটা দেখে ।
  • ক্লাস এর পরিদর্শককে বলে একবার টয়লেট থেকে ঘুরে আসে ।
  • গত রাতে কিছুই পড়ে নাই সে কথা মনে করে নিজেই নিজেকে অভিশাপ দেয় ।
  • আর ভাবে এইবার না হইলে কি হবে আগামি পরীক্ষাতে ” ফাটাইয়া দিমু “!!

পরীক্ষা শেষে

মেয়ে : “ধুর খুব খারাপ হয়ে গেছে। পরীক্ষায় একটা ডায়াগ্রাম আঁকতে পারি নাই … ফেল করব !!” ( মানে ৮০+ নম্বর)

ছেলে : “খুব মজা দোস্ত, একরাত পইড়াই পাশ কইরা ফেলুম। চল ক্যান্টিন থাইকা চা খাইয়া আসি ৷”

ভার্সিটিতে পপুলার হতে চান? নিচের টিপসগুলো আপনার জন্য…

ভার্সিটিতে পপুলার হতে কে না চায়। আপনিও চান, কিন্তু মুখে স্বীকার করেন না। হয়েছে, আমরা বুঝতে পারছি। আপনার জন্য তাই অনেক খেটেখুটে কিছু পপুলার মানুষের কাছ থেকে অনেক কষ্টে কিছু টিপস নিয়ে এসেছি আমি। সেই সাথে তাদের আচার আচরণও পর্যবেক্ষণ করে দেখেছি তারা কেনো এতো পপুলার। তো, তাদের মতে নিচের টিপসগুলো ফলো করলেই চলবে… চলুন টিপসগুলো একবার দেখি..

১. একটু ভাব নিয়ে চলুন। কেউ ডাকলে সাথে সাথে তাকাবেন না। তিনবার ডাকার পরে তাকাবেন। এক, দুই, তিন জোরে জোরে গুণবেন, তারপরে তাকাবেন।

২. যে ডেকেছে তার মুখের দিকে না তাকিয়ে কথা বলবেন। অন্যদিকে তাকিয়ে থাকুন।

৩. ক্যাফেটেরিয়ায় বসে লিনকিন পার্কের চিল্লাচিল্লি গান প্র্যাকটিস করুন। কেউ তাকালে বুঝবেন কাজ হচ্ছে। কেউ না তাকালে ভলিউম বাড়িয়ে দিন।

৪. কারো সাথে পরিচয় হলে জিজ্ঞেস করুন, “কি হে! তুমি ছেলে না মেয়ে?”

৫. লালনের গান Rap করে করে ক্যাম্পাসে ঘুরুন। বিস্তারিত পড়ুন